উন্নত জাতের ঘাস চাষঃ পারা ঘাস(Bracharia mutica)

উন্নতজাতের ঘাষ চাষ পদ্ধতি খামার ব্যবস্থাপনা ডেইরি ফার্মিং

উন্নত জাতের ঘাস চাষঃ পারা ঘাস(Bracharia mutica)

এটি বহু বর্ষাঘাস, একবার লাগালে ৫-৬ বছর পর্যন্ত ঘাস উৎপাদন হয়। এ ঘাস নীচু জমিতে হয়।

পারা ঘাস চাষের বিস্তারিত তথ্যঃ
১) রােপনের সময়ঃ যে কোন সময়, তবে উত্তম সময় হচ্ছে ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে।
২) মাটির ধরণঃ জলাবদ্ধ, লবনাক্ত, পাহাড়ী ঢালসহ সব ধরণের জমিতে এ ঘাস জন্মে।
৩) জমি তৈরীঃ জমিতে ৩-৪ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরী করতে
হবে। এছাড়াও বন্যাপরবর্তী কাদামাটিতে এ ঘাস লাগানাে যায়।
৪) বীজ বা কাটিং এর সংখ্যাঃ বিঘাপ্রতি ৯০,০০০ হতে ১,০০,০০০ কাটিং প্রয়ােজন হয়।
৫) কাটিং লাগানাের দূরত্বঃ লাইন থেকে লাইন ১.০ ফুট বা ৩৫ সেঃমিঃ এবং এক থােপ থেকে অন্য থােপ এর দুরুত্ব ০.৫
ফুট বা ১৭ সেঃমিঃ।

৬) সার প্রয়ােগঃ
ক) জমি তৈরীর সময়ঃ ইউরিয়াঃ টিএসপিঃ এমপি= ১৬ঃ২৩ঃ১০ কেজি প্রতি বিঘায়।
খ) ঘাস লাগানাের ১ মাস পরঃ ইউরিয়া ১৫-২৫ কেজি প্রতি বিঘায়।
গ) প্রতি কাটিং এর পরঃ ইউরিয়া ১৫-২৫ কেজি প্রতি বিঘায়।

৭) সেচঃ খরা মৌসুমে ১৫-২০ দিন পর পর।
৮) ঘাস কাটার সময়ঃ ৩০-৩৫ দিন পর পর গ্রীষ্মকাল, ৩৫-৪৫ দিন পর পর শীত কালে তবে এটি নির্ভর করবে সেচ সুবিধার উপর।
৯) বছরে কত বার ঘাস কাটা যায়ঃ ৫-৭ বার – ১ম বছর এর পরের বছর থেকে ৭-৯ বার কাটা যায়।
১০) বছরে কাঁচা ঘাসের উৎপাদনঃ ৩০-৪০ টন প্রতি বিঘায়।
১১) ১ কেজি কাঁচা ঘাসের পুষ্টিমানঃ প্রতি কেজি কাচা ঘাসে
ড্রাই ম্যাটার থাকে ২৬৯ গ্রাম। জৈব পদার্থ থাকে ২৪০ গ্রাম। প্রোটিন থাকে ১৮ গ্রাম। ফাইবার থাকে ১১৩ গ্রাম। পাচ্যতা থাকে ৬৪% এবং বিপাকীয় শক্তি থাকে ২.৬০ মেগাজুল।
প্রতি কেজি কাঁচা ঘাসে শুদ্ধ পদার্থ -২৬০ গ্রাম;

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *