গবাদিপশুর নতুন রোগ লাম্পি স্কিন ডিজিজ এর বিস্তারিত

খামার ব্যবস্থাপনা গরু পালন গরু মোটাতাজাকরণ ডেইরি ফার্মিং প্রাণিসম্পদ রোগ ও প্রতিরোধ

“লাম্পি স্কিন ডিজিজ” সারা দেশে বর্তমানে গবাদিপশুতে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে।

“আতঙ্ক নয়, সচেতন হই”

রোগেরলক্ষণসমূহঃ

♻ প্রথম পর্যায়ে আক্রান্ত প্রাণীর জ্বর, ব্যথা, খাবার গ্রহণে অরুচি দেখা দেয়।
♻ আক্রান্ত প্রাণীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গােলাকার গুটি বা ফোস্কা দেখা দেয় পায়ের এবং শরীরের নিম্নাংশে ফুলে পানি জমা হয়।
♻ শেষ পর্যায়ে কয়েকটি গুটি বা ফোস্কা ফেটে যায় ও ক্ষত সৃষ্টি হয়

রোগছড়ানোরমাধ্যমঃ

☢ রক্ত চোষা আঠালী, মাইট, মশা ও মাছির মাধ্যমে রােগটি দ্রুত এক প্রাণী হতে অন্য প্রাণীতে ছড়ায়।
☢ আক্রান্ত প্রাণী এক স্থান হতে অন্য স্থানে পরিবহনের মাধ্যমে রােগটি ব্যাপকভাবে ছড়াতে পারে।
☢ এ ছাড়া আক্রান্ত প্রাণীর লালা, দুধ এবং আক্রান্ত ষাঁড়ের সিমেন এর মাধ্যমেও রােগটি ছড়াতে পারে।
☢ আক্রান্ত প্রাণী পরিচর্যাকারী, চিকিৎসক বা ভ্যাকসিন প্রদানকারীর মাধ্যমে রােগটি অন্য সুস্থ্য প্রাণীতে ছড়াতে পারে।

রোগেরকারণেক্ষতিঃ

⚠ আক্রান্ত গাভীর দুধের উৎপাদন কমে যায়, গর্ভপাত হয়, বন্ধ্যাত্বসহ ওজন অনেকাংশে কমে যায় রােগে।
⚠ আক্রান্ত প্রাণীর চামড়ার মান খারাপ হওয়ার কারণে খামারীর অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়।

রোগনিয়ন্ত্রণেরপরামর্শঃ

✅ খামারে জীব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খামার ও এর আশ-পাশের পরিবেশ পরিস্কার পরিছন্ন রাখা এবং মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণ করা।
✅ খামারে আক্রান্ত প্রাণীর জন্য মশারির ব্যবস্থা করা এবং আক্রান্ত প্রাণী দ্রুত অন্য স্থানে সরিয়ে পৃথক ভাবে চিকিৎসা ও পরিচর্যা করা
✅ আক্রান্ত অঞ্চলে প্রাণীর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা এবং সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত চারণ ভূমিতে না নেয়া।
✅ গােট পক্স বা শীপ পক্স ভ্যাক্সিন প্রাণীর ওজনভেদে ৩ থেকে ১০ গুণ বেশী হারে দেয়া।
✅ আক্রান্ত প্রাণীর ক্ষতস্থান টিংচার আয়ােডিন বা পভিসেপ দ্বারা পরিষ্কার করা।
✅ রোগটি দেখা দিলে রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করা।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *