গরু ছাগলের বিপদকালীন খাদ্য হিসেবে ইপিল ইপিল চাষের বিস্তারিত

অন্যান্য
  1. ইপিল ইপিল গাছের পাতা ও কচি ডগা গবাদি পশুর উপাদেয় খাদ্য।
  2. এই গাছ দ্রুত বড় হয় এবং এই গাছের পাতা ও কচি ডগা গবাদি পশুকে কাঁচা অথবা শুকিয়ে খাওয়ানো যায়।
  3. তিন ধরনের ইপিল ইপিল গাছ পাওয়া যায়। যেমন- সাধারণ, মধ্যমাকৃতি ও বৃহদাকার।
  4. ইপিল ইপিল গরমে বেশ বেড়ে উঠে কিন্তু শীতে এদের বৃদ্ধি কমে যায়।
  5. এই গাছ সবধরনের মাটিতে চাষ করা যায় তবে দো-আঁশ জাতীয় মাটি যেখানে পানি জমে থাকে না সেখানে উৎপাদন ভাল হয়।
  6. বীজ বপনকাল গ্রীষ্মকাল (মার্চ-এপ্রিল)। প্রক্রিয়াজাত বীজ, বীজ তলায় ৫ সেঃ মিঃ অন্তর অন্তর ১.২-১.৫ সেঃ মিঃ মাটির নীচে পুঁতে দিতে হয়।
  7. বর্ষা মৌসুমে চারা রোপন করতে হয়।
  8. সাধারণতঃ ফুল আসার আগে ইপিল ইপিল সংগ্রহ করতে হয়।
  9. ২৫ সেঃ মিঃ পর্যন্ত কান্ড রেখে প্রথমবার কান্ড কাঁটা উচিত।
  10. ইপিল ইপিল এককভাবে না খাইয়ে ঘাসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে দিলে ভাল হয়।
  11. মিশ্রিত ইপিল ইপিল ও ঘাসের পরিমাণ ১:১ হওয়া উচিত।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *