গরু-মহিষের সাথে সাথে গয়াল পালন ও হতে পারে একটি লাভজনক খামার ব্যাবসা

গরু পালন গরু মোটাতাজাকরণ

গরু-মহিষের চেয়ে গয়ালে মাংস পাওয়া যায় অনেক বেশি, স্বাদও চমৎকার।
গয়ালের ব্যবহার জনপ্রিয় হলে দেশি-বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরতা যেমন কমে আসবে, তেমনি গয়ালের বাণিজ্যিক লালনপালনে মানুষ আকৃষ্ট হবে। গয়ালের মাংসে কোলেস্টেরল কম হওয়ায় এটি মানবদেহের জন্য সবসময় কম ঝুঁকিপূর্ণ। গয়াল শুধু দুর্বল খাবারেই লালনপালন করা হয়ে থাকে এবং এদের দেহে কোনো ধরনের কৃত্রিম ওষুধ প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে না।গয়ালের মাংস সবার জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত!
চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে শীত মৌসুম এলে বিভিন্ন স্থানে ওরস, মিলাদ মাহফিল, মেজবান উপলক্ষে গয়ালের বেচাকেনা বাড়ে। তাই গয়ালের মাংসের চাহিদাও ভালো।
একসময় গয়াল ছিল বণ্যপ্রাণী তালিকাভুক্ত। অবৈধ শিকারিরা পাহাড়ে ফাঁদ পেতে গয়াল ধরে সেগুলো গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রি করত। পরে বনবিভাগ গয়ালকে গবাদি বা গৃহপালিত পশু হিসেবে ঘোষণা করে। তখন থেকেই অনেক উপজাতি বাড়িতে গয়াল লালনপালন শুরু করে।


বর্তমানে সহস্রাধিক উপজাতি পরিবার সারা বছরই গয়াল পালন করে থাকে। কোনো কোনো স্থানে ইতোমধ্যেই গয়ালের বাণিজ্যিক খামারও গড়ে তোলা হয়েছে। এসব উপজাতি পরিবার ও খামার থেকে ব্যবসায়ীরা গয়াল কিনে লোকালয়ে নিয়ে আসেন।
গয়াল পালন আসলেই লাভজনক তাই গয়াল পালন প্রসারিত করতে খামারীদের এবং সরকারের প্রাণী সম্পদ বিভাগের আসলেই জোড়ালো দৃষ্টি দেয়া উচিৎ!

Tagged

1 thought on “গরু-মহিষের সাথে সাথে গয়াল পালন ও হতে পারে একটি লাভজনক খামার ব্যাবসা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *