ছাগলের দুধের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

ছাগল পালন প্রাণিসম্পদ

ছাগলের দুধের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণঃ
১। ছাগলের দুধের গুণগত মান মানুষের দুধের কাছাকাছি। অনেক ক্ষেত্রে ভিটামিন,লৌহ, কোবাল্ট ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ পরিমাণে অনেক বেশি থাকে। এই দুধ শিশু খাদ্যের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা যায়।

২। ছাগলের দুধ সহজে হজম হয়। এই দুধের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এই যে পাকস্থলীস্থ জারক রস পাকস্থলীতে জমাট দুধের ননীর মধ্যে সহজেই প্রবেশ করে ভেঙ্গে টুকরাে করে দেয় ফলে দ্রুত হজম হয়। সাধারণত গাভীর দুধ হজম হতে সময় লাগে।

৩। এলার্জী উপসর্গ যেমন একজিমা, এজমা, বমিবমি ভাব, হাঁচি, সর্দি পেটের ভিতর অস্বস্রি, ডায়রিয়া, চর্মরােগ ইত্যাদিতে ভুগলে অথবা যাদের গাভীর দুধে উল্লেখিত এলার্জী উপসর্গ দেখা দেয় তাদের জন্য ছাগলের দুধ অতুলনীয়।

৪। অন্যান্য এলার্জী উপসর্গের মধ্যে এজমা যা ছাগলের দুধ নিয়মিত পান করলে উপশম হয়। আজকাল বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং কবিরাজ এই সমস্ত রুগীকে ছাগলের দুধ পান করতে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আমাদের মহানবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) ও অন্যান্য নবী রসুলগণ তাদের জীবনকালে নিয়মিত ছাগদুগ্ধ পান করতেন। মহাত্মা গান্ধার জীবনকাল অত্যন্ত সুস্বাস্থ্য সহকারে অতিবাহিত হয়েছে ছাগলের দুধ, দুধের মাবগ,
পনির ইত্যাদি গ্রহণ করে।

৫। ছাগল যক্ষ্মা রােগের বিরুদ্ধে প্রতিরােধ সম্পন্ন। স্বভাবতঃ কারণে তার দুধের মধ্যে এই গুণ বিদ্যমান

৬। যাদের বাড়ীতে অর্থনৈতিক কারণে স্থানাভাবে গাভী পালা কঠিন তারা অনায়াসে ছাগল পালন করে দুধের চাহিদা মিটাতে পারেন।

৭। ছাগলের দুধ স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রতিষেধক হিসাবে উপকারে আসে।

৮। অনুন্নত এলাকায় দুঃস্থ বেকার ও বিধবা মহিলা, ভূমিহীন ও প্রান্তিক চাষী পরিবার তাদের ছাগলের দুধ গরুর দুধের চেয়ে অনেক বেশি পুষ্টিমানের।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *