টমেটো চাষে বিভিন্ন রোগ পোকামাকড় দমন ও প্রতিরোধ

আধুনিক কৃষি ফল চাষ

টমেটোর রোগ পোকামাকড়  ও সমাধান

সমস্যা: চারা অবস্থায় লাগানোর ২০ দিনের মধ্যে এ রোগ হলে ফসলের ক্ষতি হয়। এ রোগের জীবাণু সাদা মাছি দ্বারা বিস্তার লাভ করে। গাছের পর্ব মধ্য গুলো ছোট হয়ে যাওয়ায় গাছ লম্বা হতে পারেনা এবং পাতা মুচড়ে বা কুঁকড়ে নিচের দিকে গোল হয়ে যায়। পাতা অনুজ্জ্বল দেখায় এবং গাছ ছোট হওয়ায় দেখতে ঝোপালো দেখায়। চারা গাছে আক্রান্ত হলে গাছে ফল ধরেনা , বয়স্ক গাছে আক্রান্ত হলে খুব কম সংখ্যক ফল ধরে এবং পাকার আগেই লাল হয়ে যায়।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে গোড়া পচা রোগব্যবস্থাপনাঃ বীজতলায় চারা অবস্থায় এরোগের আক্রমন হয়ে থাকে। এ রোগে টমেটোর চারার গোড়া পচে যায়। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ইউনিজুম ও ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর কমপক্ষে দুইবার স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: রাতে চারার গোড়া কেটে ফেলে। চারা ঢলে পরতে অথবা শুকিয়ে মারা যেতে পারে।
ক্ষতির কারনঃ কাটুই পোকাব্যবস্থাপনাঃ সকাল বেলায় কেটে দেয়া চারার আশেপাশের মাটি খুড়ে কীড়া সংগ্রহ করে মেরে ফেলুন। জমি পরিষ্কার করে আবর্জনা এক জায়গায় সারারাত স্তুপ করে রাখলে পোকা সেখানে এসে জমা হবে, পরের দিন সকালে পোকা সহ আবর্জনা পুড়ে ফেলতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে কারটাপ জাতীয় কীটনাশক (যেমনঃ কেয়ার ৫০ এসপি অথবা সানটাপ ৫০ এসপি ২০ মিলি / ৪ মূখ )১০ লিটার প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: পাতার উপর ফ্যাকাশে অথবা ফিকে সবুজ রঙের গোলাকার অথবা এলোমেলো পানি ভেজা দাগ পড়ে। কুয়াশাছন্ন মেঘলা আবহাওয়ায় দাগ সংখ্যা ও আকার দ্রুত বাড়তে থাকে। গাছের পাতা ও কাণ্ড বাদামী থেকে কালচে আকার ধরণ করে। আক্রমণের তীব্রতা বেশি হলে গাছের কাণ্ড ও সবুজ ফলেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। রোগের লক্ষণ দেখা দেবার ৩-৪ দিনের মধ্যে গাছ ঝলসে যায় ও দ্রুত মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত রোগব্যবস্থাপনাঃ কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। রোগের কারণে পাতা, কান্ড ও ফল পচে যায়। রোগ আক্রমনের আগে থেকেই প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ইউথেন বা ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: পাতার উপরে প্রথমে ছোট ছোট,পৃথক পৃথক ভাবে ছড়ানো হালকা বাদামি রঙের দাগ পরে।গাছের বয়স্ক পাতার এ রোগের লক্ষণ প্রথম দেখা যায়। আক্রান্ত গাছের পাতার উপর কাল বা বাদামী রংয়ের বৃত্তাকার দাগ পড়ে। ক্ষত স্থানটি অনেক গুলি ছোট বড় বৃত্তের সমষ্টি। পাতার মত কাণ্ডে ও ফলে বৃত্তাকার দাগ দেখা যায়।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে আগাম ধ্বসা বা আর্লি ব্লাইটব্যবস্থাপনাঃ বীজ শোধন করা, পরিমিত ও সময় মত সার ব্যবহার করা,পাতায় ২/১ টা দাগ দেখা গেলে ডাইথেন এম -৪৫ বা রোভরাল ২ গ্রাম / ১ মিলি পানিতে মিশিয়ে ১২ দিন পরপর স্প্রে করা।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: আক্রান্ত গাছে হলুদ ও গাঢ় সবুজ ছোপ ছোপ দাগ দেখা দেয় এবং পাতা কুঁকড়ে যায়।
ক্ষতির কারনঃ ইয়েলো মোজাইক ভাইরাস ব্যবস্থাপনাঃ পাতা হলুদ হয়ে যায় ও কুঁকড়ে যায়। জাব পোকা ও হপার পোকা ভাইরাস রোগ ছড়াতে সাহায্য করে।আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলতে হবে এবং বাহক পোকা দমনর জন্য প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ মিলি ইমিক্সস্ট্রীম মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: পাতা, ফুল ও কচি ফলের রস চুষে খায়।তাছাড়া এই পোকা হলুদ মোজাইক ভাইরাস রোগ ছড়ায়।
ক্ষতির কারনঃ জাব পোকাব্যবস্থাপনাঃ জাবপোকা টমেটোর পাতার রস চূষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়। জাবপোকা ভাইরাস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ মিলি ইমিক্সস্ট্রীম মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: লাল মাকড় টমেটোর পাতার রস চুষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়।
ক্ষতির কারনঃ লাল মাকড়ব্যবস্থাপনাঃ আক্রমন দেখা দেওয়া মাত্র অনুমোদিত কোন মাকড় নাশক অনুমোদিত মাত্রায় স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: ক্ষুদ্র কীড়া পাতা ছিদ্র করে পাতার দুই পর্দার মাঝের সবুজ অংশ আঁকাবাঁকা সুড়ঙ্গ করে খায়। ফলে পাতার আক্রান্ত অংশটুকু স্বচ্ছ পর্দার মত দেখায় এবং পাতা ফ্যাকাশে বর্ণের হয়ে যায়। বয়স্ক পাতায় আক্রমণ হলে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়। আক্রমণ বেশি হলে পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে এবং ফলন খুব কম হয়।
ক্ষতির কারনঃ পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকাব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে। আঠালো হলুদ ফাঁদ ব্যবহার করে এদের আকৃষ্ট করে মেরে ফেলতে হবে। কার্বারিল জাতীয় কীটনাশক (যেমনঃ সেভিন ৮৫ পাউডার) প্রতি শতকে ৭ গ্রাম হারে ব্যবহার করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: গাছের রস চুষে খাওয়ার ফলে গাছ শুকিয়ে যায় । এই পোকা ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে।
ক্ষতির কারনঃ টমেটো লিফ হপারব্যবস্থাপনাঃ লিফ্ হপার টমেটোর পাতার রস চূষে খায়, ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়। লিফ্ হপার ভাইরাস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে। প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ মিলি ইমিক্সস্ট্রীম মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: গাছের যেকোন বয়সে এ রোগ দেখা যায়। আক্রান্ত গাছ ঝিমিয়ে ঢলে পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গাছের কচি পাতা প্রথমে ঢলে পড়ে কিংবা নীচের বয়স্ক পাতা বিবর্ণ হয়ে যয়। ব্যাকটেরিয়া জীবাণু আক্রমণ করলে গাছ হঠাৎ ঢলে পড়ে। আক্রান্ত গাছেল ডাল কেটে পানিতে রাখলে সাদা কষের মতো তরল পদার্থ বের হতে দেখা যায়।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া ( কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার দিয়ে আক্রান্ত হলে উজ বা সাদা কষ বের হবে। )
ব্যবস্থাপনাঃ এ রোগে গাছ হঠাৎ করে ঢলে পরে। আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স ও ১ গ্রাম ইউনিজুম মিশিয়ে সুস্থ গাছের গোড়া ও পাতা স্প্রে করে ভিজিয়ে দিতে হবে। ৭ দিন পর পুনরায় স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: হর্ণ ওয়ার্ম টমেটোর পাতা ,কচি কান্ড ও ফল খেয়ে ফেলে।
ক্ষতির কারনঃ টমেটো হর্ণ ওয়ার্মব্যবস্থাপনাঃ প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি বিরাট ২৩ ইসি বা ১ গ্রাম জয়মেক মিশিয়ে আক্রমন দেখা দেওয়ার সাথে সাথে স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: ফল ছিদ্র করে ভিতরে কুড়ে কুড়ে খায়।ক্ষতির কারনঃ টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকাব্যবস্থাপনাঃ ছিদ্রকারী পোকা কাচা ও পাকা টমেটো ছিদ্র করে থাকে। প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি বিরাট ২৩ ইসি বা ১ গ্রাম জয়মেক মিশিয়ে আক্রমন দেখা দেওয়া মাত্র স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: পাতার উপর ফ্যাকাশে অথবা ফিকে সবুজ রঙের গোলাকার অথবা এলোমেলো পানি ভেজা দাগ পড়ে। কুয়াশাছন্ন মেঘলা আবহাওয়ায় দাগ সংখ্যা ও আকার দ্রুত বাড়তে থাকে। গাছের পাতা ও কাণ্ড বাদামী থেকে কালচে আকার ধরণ করে। আক্রমণের তীব্রতা বেশি হলে গাছের কাণ্ড ও সবুজ ফলেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। রোগের লক্ষণ দেখা দেবার ৩-৪ দিনের মধ্যে গাছ ঝলসে যায় ও দ্রুত মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত রোগব্যবস্থাপনাঃ কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। রোগের কারণে পাতা, কান্ড ও ফল পচে যায়। রোগ আক্রমনের আগে থেকেই প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ইউথেন বা ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: এ রোগে গাছ আক্রান্ত হলে গাছের উপরের অংশ কুকড়ায়ে যায়। পাতা মুড়িয়ে যায় ও চামড়ার ন্যায় পুরু মনে হয়।
ক্ষতির কারনঃ বুশি স্টান্ট (লিফ হপার নামক পোকা দ্বারা ভাইরাস ছড়ায়)ব্যবস্থাপনাঃ রোগ প্রতিরোধ জাতের চাষ করা, বীজ শোধন করা। আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। সাদা মাছি দেখা মাত্র দমন ব্যবস্থা নিতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যা: চারা ও বয়স্ক আবস্থায় এ রোগের আক্রমণ হয় ও বেশী আক্রমণে গাছ মারা যায়। বয়স্ক গাছ হলুদ রং হয়। আক্রান্ত গাছ ঢলে পড়ে ও শুকিয়ে যায়।মাটির সংযোগস্থলে পচন দেখা দেয়।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে গোড়া পচা রোগব্যবস্থাপনাঃ বীজতলায় চারা অবস্থায় এরোগের আক্রমন হয়ে থাকে। এ রোগে টমেটোর চারার গোড়া পচে যায়। প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ইউনিজুম ও ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর কমপক্ষে দুইবার স্প্রে করতে হবে।
সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *