তিতির পালনের বিস্তারিত তথ্য একসাথে

তিতির পালন প্রাণিসম্পদ

তিতির পালনের বিস্তারিত তথ্য একসাথে

পোল্ট্রির মোট ১১টি প্রজাতির মধ্যে একটি হলো তিতির, যার ইংরেজী নাম Guinea-fowl (Numida meleagris galeata)। তিতির এর বাচ্চাকে ”keets” কীট্স বলে। শোভাবর্ধনকারী পাখি (Ornamental bird) হলেও সুস্বাদু মাংস এবং ডিমের জন্য শত শত বৎসর যাবত তিতির পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে আসছে। আফ্রিকা মহাদেশে উৎপত্তি । এ পাখিটি আগে বাংলাদেশের প্রধানত রাজশাহী, রংপুর, চুয়াডাঙ্গা, নওগাঁ, নরসিংদী, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল অঞ্চলে বিশেষ ভাবে চোখে পড়ে। স্থানীয় জনগণ এই পাখিকে চীনা মুরগী নামে ডাকে এবং গ্রামীণ পরিবেশে হাঁস-মুরগীর সাথে পালন করে। বর্তমানে সৌখিন ব্যক্তিরা এদেরকে পালন করে থাকেলেও বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে তিতির পালন ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে যে তিতির পাখি পাওয়া যায় সেটি পার্ল ধরণের। এর রং ধুসর বর্ণের এবং পালকের উপর নিয়মিত ভাবে ফোটা ফোটা সাদা দাগ থাকে।

তিতির ৭ থেকে ৮ মাস বয়সে বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়। এদের মাংস খুবই সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। বিলাসবহুল হোটেল, রেস্তোরা এবং বড় বড় ভোজসভায় এদের মাংসের যথেষ্ট সমাদর আছে। এদের নরম পালক শীতকালীন পোষাক ও বিছানা প্রস্তুতের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটা একটি রপ্তানিযোগ্য পণ্য হিসেবে গণ্য হতে পারে। শুধু তাই নয় এটি পালন করে দারিদ্র্য বিমোচন,পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হবে।

পুরুষ ও স্ত্রী তিতিরের মধ্যে পার্থক্যঃ

পুরুষ তিতির স্ত্রী তিতির
১. হেলমেট সুউচ্চ ও মাথার মাঝখানে থাকে।   ১. হেলমেট তুলনামূলক ছোট ও মাথার সামনের দিকে থাকে।  
২. ওয়াটলস্ বেশ বড় হয়।   ২. ওয়াটলস্ বেশ ছোট হয়।  

তিতির পালন পদ্ধতিঃ

 (ক) মুক্ত পদ্ধতি (Free range)

(খ) আধা-মুক্ত (Semi-intensive) পদ্ধতি

(গ) বদ্ধ (cages & deep litter) পদ্ধতি

   

বয়স ভেদে প্রতিটি তিতিরের জন্য জায়গার পরিমাণঃ

বয়স জায়গা
১ থেকে ৪ সপ্তাহ ০.৫ বর্গফুট
৫ থেকে ৮ সপ্তাহ ১.০ বর্গফুট
৯ থেকে ১৩ সপ্তাহ ১.৫ বর্গফুট
পূর্ণ বয়স্ক ২ থেকে ২.৫ বর্গফুট

খাদ্য প্রস্তুতকরণঃ

স্টার্টার (৪ সপ্তাহ)

গমচূর্ণ-২৯.০০ কেজি

ভূট্টা চূর্ণ-১৮.০০ কেজি

চাউলের কুঁড়া-১৪.০০ কেজি

তিলের খৈল-৯.০০ কেজি

ফিস মিল-১৭.০০ কেজি

নারিকেলের খৈল-১১.০০ কেজি

ঝিনুক চূর্ণ-১.০০ কেজি

সাধারণ লবণ-০.৬০০ কেজি

ভিটামিন-মিনের‌্যালস-০.৪০০ কেজি

গ্রোয়ার (২০ সপ্তাহ)

গমচূর্ণ-৩০.০০ কেজি

ভূট্টা চূর্ণ-২৪.০০ কেজি

চাউলের কুঁড়া-১৯.০০ কেজি

তিলের খৈল-৭.০০ কেজি

ফিস মিল-১০.০০ কেজি

নারিকেলের খৈল-০৮.০০ কেজি

ঝিনুক চূর্ণ-১.০০ কেজি

সাধারণ লবণ-০.৬০০ কেজি

ভিটামিন-মিনের‌্যালস-০.৪০০ কেজি

ভিটামিন-মিনের‌্যালস০.৪০০

২১ সপ্তাহপরবর্তী সময়

গমচূর্ণ-২৮.০০ কেজি

ভূট্টা চূর্ণ-১৮.০০ কেজি

চাউলের কুঁড়া-১৫.০০ কেজি

তিলের খৈল-৮.০০ কেজি

ফিস মিল-১৫.০০ কেজি

নারিকেলের খৈল-১১.০০ কেজি

ঝিনুক চূর্ণ-৪.০০ কেজি

সাধারণ লবণ-০.৬০০ কেজি

ভিটামিন-মিনের‌্যালস-০.৪০০ কেজি

বাড়ন্ত তিতিরের সাপ্তাহিক খাদ্য এবং পানি গ্রহণের পরিমাণঃ

বয়স (সপ্তাহ) খাদ্য গ্রহণ (গ্রাম) পানি গ্রহন(মিলি)
৫৫ ৭৫
১৩০ ১৮০
২১০ ২৯০
২৭৫ ৩৮০
৩৪০ ৪৬০
৩৯৫ ৫৩০
৪৬০ ৬২০
৪৯৫ ৬৭০
৫৪০ ৭৩০
১০ ৫৮৫ ৭৮০
১১ ৬১০ ৮১০
১২ ৬৩০ ৮৩৫
১৩ ৬৩৫ ৮৪৫
১৪ ৬৪০ ৮৫০

তিতিরের খাদ্য গ্রহণ এবং খাদ্য রূপান্তর দক্ষতার (F.C.R)

প্যারামিটারবয়স (সপ্তাহ)১

থেকে

৪৫

থেকে

৮৯

থেকে

১২১৩

থেকে

১৬১৭

থেকে

২০২১

থেকে

২৪২৫

থেকে

২৮২৯

থেকে

৩২দৈহিক ওজন(গ্রাম)৩৮০৫৯০৪০০১১০১০০১৩৭০১৪৮০১৫৮০খাদ্য গ্রহণ(গ্রাম)৬৭০১৬৯০১৭৩৫৬৩০৬৩৫৪০৯৫৪৭২৫৫৩৬০খাদ্য রূপান্তর দক্ষতা

(F.C.R)১.৭৬২.৮৬৪.৩৪৫.৭৩৬.৩৫২.৯৯৩.১৯৩.৩৯

বিঃ দ্রঃ প্রতি কেজি খাদ্যে বিপাকীয় শক্তি মাত্রা ৩,০০০ কিলো ক্যালরি রাখা প্রয়োজন।

 

ব্রুডিং

মুরগির বাচ্চার তুলনায় তিতিরের বাচ্চা ঠান্ডায় অধিক সংবেদনশীল। সেজন্য প্রথম সপ্তাহে উচ্চ ব্রুডিং তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়। প্রথম থেকে তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ব্রুডিং তাপমাত্রা ৩৭ ডি. সে. এবং চতুর্থ থেকে পঞ্চম সপ্তাহ পর্যন্ত ৩৬ ডি. সে. তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

তিতির পালনে সুবিধা সমুহঃ

  • তিতির পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য পাখির তুলনায় বেশি। সংক্রামক বা পরজীবী ঘটিত রোগ কোনটাই সহজে আক্রান্ত করতে পারেনা।
  • মাইকোটক্সিন ও আফলাটক্সিনের প্রতি অধিক সহনশীল।
  • এদের খাদ্য খরচ তুলনামূলকভাবে কম। একটি পূর্ণবয়স্ক তিতির দৈনিক ১১৮ থেকে ১২০ গ্রাম খাবার খায়।
  • বাচ্চা বয়সে ব্রয়লার স্টারটার খাদ্য খাওয়ানো যায়। তিতির পাখির আমিষের চাহিদা বেশি বলে সিনথেটিক এমাইনো
  • এসিড ও পরবর্তীতে বাড়ন্ত বয়সে লেয়ার খাদ্য খাওয়ানো যায়।
  • কচি ঘাস, পোকামাকড়, সবজি এদের প্রিয় খাদ্য।
  • ডিমের খোসা অত্যন্ত শক্ত, প্রায় ০.৪৮ থেকে ০.৫০ মি.মি পুরু। বাজারে পরিবহন অথবা ডিম ফোটানোর ক্ষেত্রে ভেঙ্গে যাবার সম্ভাবনা কম থাকে।
  • শারীরিক বৃদ্ধির হার বেশ ভালো এবং মাংস অনেক সুস্বাদু ও পুষ্ঠিকর।
  • ডিমের আকৃতি তুলনামূলক ছোট বলে বাচ্চারা এটি খেতে পছন্দ করে।
  • তিতির পাখির ডিম ও মাংস খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের জন্য কোন ধর্মীয় বাধা নেই।
  • একটি দেশী মুরগী যেখানে বৎসরে ৫০-৬০ টি ডিম দেয়, সেক্ষেত্রে একটি তিতির পাখি ১০০ থেকে ১২০ টি ডিম দেয়।
  • প্রতিকূল পরিবেশের সাথে এরা নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে।
  • তিতির পালনে প্রতিবন্ধকতাঃ
  • পোল্ট্রির প্রজাতি হিসেবে হাঁস-মুরগি বা কোয়েল কবুতরের চেয়ে এদের রয়েছে কিছু স্বতন্ত্র বংশগত বৈশিষ্ট্য, যার কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে ভালোভাবে খাপ খাইয়ে চলতে পারে না। যেমন অল্প বয়সে অধিক বাচ্চা মৃত্যুর হার। বলা হয়ে থাকে তিতির পাখি “আদর্শ মা”নয়। প্রাকৃতিকভাবে উমে আসা মা তিতির পাখির পেটের নিচে তা দিয়ে ডিম ফোটানোর ক্ষেত্রে একদিকে যেমন ডিমে তা দেয়ার সময় তারা খুব যত্নশীল নয়, অন্যদিকে পেটের নীচে দেয়া ৮-১০টি ডিমের মধ্যে প্রথম ১-২টি ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার সাথে সাথে তিতির অবশিষ্ট ডিম ফেলে চলে যায়। সেগুলি থেকে আর বেশি বাচ্চা ফোটে না। সাধারণত তিতির পাখি একটু বোকা প্রকৃতির। স্বভাবগতভাবে এরা ঝোপঝাড়, জঙ্গল পছন্দ হওয়ায় ছোট বাচ্চা নিয়ে সেখানে ঘুরে বেড়ানোর সময় প্রায়শই শিয়াল, কুকুর, চিল বা বাজ পাখি সহ নানা ধরণের শিকারীর কবলে পড়ে বাচ্চা মারা যায়। মা তিতির বাচ্চাদের রক্ষা করতে পারে না। বাচ্চা ফোটে বের হওয়ার সাথে সাথে Leg paralysis বা পা খোঁড়া হয়ে যাওয়া রোগের প্রবণতা প্রায়শই পরিলক্ষিত হয়। ডিপ লিটার পদ্ধতিতে বাচ্চা পালনে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে বাচ্চাগুলো লিটারের নোংরা খায়। ফলে পরিপাকতন্ত্রের নানান সমস্যা দেখা দেয়। বাচ্চাদের খাদ্য তালিকায় প্রচুর আমিষ বিশেষ করে লাইসিন এবং সালফারযুক্ত এমাইনো এসিডের প্রয়োজন হয় যা সবসময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। খাঁচা পদ্ধতিতে (Battery/ Cage) পালনের সময় এদের হেলমেট ও পা-এ ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

তিতির পালনে সমস্যা সমাধানের উপায়ঃ

  • মেঝেতে তিতির পালনের সময় পাটের বস্তা ব্যবহার করতে হবে। খাঁচার তুলনায় মেঝেতে পালন বেশি লাভজনক ও সুবিধাজনক। তিতিরের ডিম দেশী মুরগির সাহায্যে ফুটানো যায়। আমিষের চাহিদা পূরণের জন্য খাদ্যে অতিরিক্ত আমিষ সরবরাহ করতে হবে। খাদ্যের সাথে নিয়মিত ভিটামিন এবং মিনের‌্যালস্ দিতে হবে।
  • তিতির সাধারণত ৬ থেকে ৭ মাস বয়সে প্রাপ্ত বয়স্ক হয় এবং ডিম পাড়া শুরু করে।
  • বানিজ্যিক ফার্মে তিতির ২০ সপ্তাহ বয়সে ডিম দেয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া তিতির পাখির জন্য উপযুক্ত বলে সম্ভবত আগে ডিম পাড়া শুরু করে।
  • প্রতি বছর ডিম উৎপাদনঃ ১০০-১২০ টি
  • বাংলাদেশে বিদ্যমান পার্লজাতীয় তিতির পাখি প্রায় সারা বছর বিরতি দিয়ে ডিম পাড়ে। তবে বসন্তকালে ডিম পাড়ার হার বেশি।
  • ডিমের রং হালকা বাদামি থেকে ঘন বাদামি রং এর হয় ও ডিমের গায়ে ছোট ছোট দাগ দেখা যায় এবং ডিম সাধারণতঃ লাঠিম বা কনিকেল আকৃতির হয়।
  • ডিমের ওজন ৩৮ থেকে ৪৫ গ্রাম এর মধ্যে হয়ে থাকে (ডিমের ওজন দৈহিক ওজনের ২.৮%) ।
  • স্ত্রী পাখির তুলনায় পুরুষ পাখির মাথার হেলমেট বা মুকুট একটু বেশী উঁচু, পায়ের রং একটু কালচে ধরণের।
  • একটি পূর্নাঙ্গ স্ত্রী পাখির ওজন ১,৬০০ থেকে ১,৭০০ গ্রাম ও পুরুষ পাখির ওজন ১,৮০০ থেকে ২,০০০ গ্রাম হয়ে থাকে।
  • তিতিরের ডিম প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উভয় পদ্ধতিতে ফোটানো যায়।
  • ডিমের ফার্টিলিটিঃ ৭৫-৮০%
  • ডিম থেকে বাচ্চা ফোটার সময়ঃ ২৮ দিন (তবে ২৬ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত হতে পারে এটিই ব্যতিক্রম)
  • এক দিন বয়সের বাচ্চার ওজনঃ ২১ থেকে ২৭ গ্রাম

তিতিরের রোগ-বালাই ,ভ্যাকসিন ও রোগ প্রতিরোধঃ

যেহেতু আমাদের দেশে মুরগির রানীক্ষেত রোগ হয় তাই বিশেষ সতর্কতার জন্য তিতিরকে রানীক্ষেত রোগের টিকা দিতে হবে।

সতর্কতাঃ কোন অবস্থায় রোগাক্রান্ত পাখিকে টিকা দেয়া যাবে না।

বয়স অনুযায়ী টিকাঃ

  • ০১ দিন – মারেক্স
  • ৪-৫ দিন রাণীক্ষেত (বি১ স্ট্রেইন)
  • ৪ সপ্তাহ-রাণীক্ষেত (বি১ স্ট্রেইন)
  • ৫ সপ্তাহ-ফাউল পক্স
  • ৭-৮ সপ্তাহ-ফাউল কলেরা
  • ৯-১০ সপ্তাহ-রাণীক্ষেত (RDV)
  • ১৪-১৫ সপ্তাহ-ফাউল কলেরা

টিকা সংরক্ষণের নিয়মাবলীঃ

মারেক্স

-২° সেঃ ১ বছর

-৫° থেকে ০° সেঃ ৬ মাস

বাচ্চা মুরগির রাণীক্ষেত

(BCRDV)

-২০° সেঃ ১ বছর

-৫° থেকে ০° সেঃ ৬ মাস

৪° থেকে ৯° সেঃ ৪ মাস

থার্মোফ্লাক্সে বরফসহ ১৫ দিন

বড় মুরগির রাণীক্ষেত

(RDV)

-২০° সেঃ ১ বছর

-৫° থেকে ০° সেঃ ৬ মাস

৪° থেকে ৯° সেঃ ৪ মাস

থার্মোফ্লাক্সে বরফসহঃ ১৫ দিন

ফাউল পক্স

স-২০° সেঃ ১ বছর

-৫° থেকে ০° সেঃ ৫ মাস

ফাউল কলেরা

৪° থেকে ৮° সেঃ ৬ মাস

সানমোনেলসিস/ফাউল টাইফয়েড

২° থেকে ৮° সেঃ ৬ মাস

গামবোরো

০° সেঃ ৬ মাস

৪° থেকে ৮° সেঃ ১ মাস

থার্মোফ্লাক্সে বরফসহঃ ৭ দিন

রোগ ও চিকিৎসাঃ

Ascarids(গোল কৃমি)

কারণঃ Ascaridia galli

লক্ষণঃ

ডিম উৎপাদন হ্রাস পায়। পানির মত পাতলা এবং ফেনাযুক্ত পায়খানা হয়, ক্ষুধামন্দ্যা দেখা যায়।

চিকিৎসাঃ

রুজিন (Ruzine) বা এসকারেক্স (Ascarex)


Flea/Lice(উকুন)

কারণঃ

Lipemnis heterographus

Menacanfhus sframineus

Menopon gallinae

   

লক্ষণঃ

-দুর্বলতা, দৈহিক ওজন কমে যাওয়া, ডিম উৎপাদন হ্রাস পায়, ডিম অনুর্বর (Infertile) হয়, মাথা ও ঘাড়ের চারপাশে উকুন/ ফ্লি দেখা যায়।

চিকিৎসাঃ

এসিটালিক (Actellic) তরল বা পাউডার

-কারবাডাস্ট (Karbadust)

Trichomoniasis(ট্রাইকোমনিয়াসিস)

কারণঃ

Trichomonas gallinae

লক্ষণঃ

বাচ্চার ওজন হ্রাস পায়, ঝুঁটি (wattle)কালো হয়, মুখে ক্ষত দেখা যায় ও মুখ থেকে লালা ঝরে।

চিকিৎসাঃ

এমিডিওস্ট্যাট (Amidostat)

 Splayed legs (খোঁড়া পা)

হ্যাচারী থেকে বাচ্চা বের হওয়ার পর পরই এ রোগটি keets (তিতির পাখির বাচ্চা) এ দেখা যায়। তিতিরের অসুস্থ্য বাচ্চাগুলি এলোমেলো ভংগিতে হাটতে থাকে। পা আলতোভাবে চিকন পাইপ দিয়ে আটকে দিলে বাচ্চগুলি ভালো হয়ে যায়।

Coccidiosis(রক্ত আমাশয়)

Coccidiosis একটি সাধারণ প্যারাসিটিক রোগ যা ডায়াজেসটিব ট্র্যাক্টকে প্রভাবিত করে। রক্ত মিশ্রিত আঠালো সাদা ডায়রিয়া থাকতে পারে। Coccidiosis একটি প্রোটোজোয়ান প্যারাসাইট (coccidia) দ্বারা সৃষ্ট হয়। গিনি ফাউলের খাবার পানিতে ড্রুপিংস পাওয়া যেতে পারে যা থেকে দ্রুত Coccidiosis ছড়িয়ে পড়ে।

Facebook Comments
Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *