লাউ চাষের বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড় দমন ও প্রতিরোধ

আধুনিক কৃষি কৃষি প্রযুক্তি ফল চাষ

রোগ পোকামাকড়  ও সমাধান

সমস্যাঃ কাটুই পোকা চারা গাছের গোড়া কেটে দেয়।ক্ষতির কারনঃ কাটুই পোকাব্যবস্থাপনাঃ প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি বজ্র ২.৫ ইসি মিশিয়ে বিকাল বেলা গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ রেড পাম্পকিন বিটল লাউয়ের পাতা খেয়ে ক্ষতি করে থাকে।ক্ষতির কারনঃ রেড পাম্পকিন বিটল।ব্যবস্থাপনাঃ প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি সাইরাক্স বা ১ মিলি বজ্র মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ পাতা ও গাছের গায়ে সাদা পাউডারের মত দাগ দেখা যায়, যা ধীরে ধীরে সমস্ত পাতায় ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত বেশী হলে পাতা হলুদ বা কালো হয়ে মারা যায় ।ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে পাউডারী মিলডিউ রোগব্যবস্থাপনাঃ আগাম বীজ বপন করতে পারেন। সুষম সার ব্যবহার করুন। রোগ প্রতিরোধী জাত যেমন বারি লাউ-৩, বারি লাউ-৪ চাষ করুন। সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমনঃ কুমুলাস ৪০ গ্রাম বা মনোভিট ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর আক্রমণের শুরু থেকে মোট ২-৩ বার প্রয়োগ করুন।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ ছত্রাকজনিত রোগে লাউয়ের পাতা ঝলসে যায়।ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত ঝলসানো রোগব্যবস্থাপনাঃ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স এবং ১ গ্রাম ইউনিজুম মিশিয়ে ৭ -১০ দিন পরপর নিয়মিত ভাবে স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ বয়স্ক পাতায় এ রোগ প্রথম দেখা যায়। আক্রান্ত পাতার গায়ে সাদা বা হলদে থেকে বাদামী রঙের দাগ দেখা যায়। ধীরে ধীরে অন্যান্য পাতায় ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে লাউয়ের ডাউনি মিলডিউ রোগব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করুন। ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমনঃ রিডোমিল গোল্ড ২০ গ্রাম) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে যেতে পারে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ ছোট কীড়া পাতার সবুজ অংশ সুড়ঙ্গ করে খেয়ে সুতার মতো আঁকা বাঁকা রেখা দাগ করে ফেলে। বেশি হলে পাতা শুকিয়ে মারা যায়।ক্ষতির কারনঃ লাউয়ের পাতা সুড়ঙ্গকারী পোকাব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে ধ্বংশ করা বা পুড়ে ফেলা। আঠালো হলুদ ফাঁদ স্থাপন করা। সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক ( যেমনঃ কট ১০ ইসি) ১ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ পাতা, ফুল ও কচি ফলের রস চুষে খায়, পাতা কুঁকড়ে যায় ।তাছাড়া এই পোকা হলুদ মোজাইক ভাইরাস রোগ ছড়ায়।ক্ষতির কারনঃ জাব পোকাব্যবস্থাপনাঃ প্রতি লিটার পানিতে ০.৫০ মিলি ইমিক্সস্ট্রীম মিশিয়ে ৭-১০ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ ছত্রাকজনিত রোগে লাউ গাছের কান্ড থেকে গাম বা আঠা বাহির হয়।।ক্ষতির কারনঃ গ্যামোসিস রোগব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত স্থান চাকু দিয়ে চেচে কুপ্রোফিক্স এর পেষ্ট লাগিয়ে দিতে হবে এবং সেই সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কুপ্রোফিক্স এবং ১ গ্রাম ইউনিজুম মিশিয়ে ৭ -১০ দিন পরপর নিয়মিত ভাবে স্প্রে করতে হবেসতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ আক্রান্ত গাছে প্রথমে কচি লাউয়ের নিচের দিকে পঁচন দেখা দেয়। ধীরে ধীরে পুরো ফলটিই পঁচে যায়।ক্ষতির কারনঃ ছত্রাকজনিত কারনে লাউয়ের ব্লোজম এন্ড রট রোগব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত ফল/লাউ সংগ্রহ করে ধ্বংস করুন। ক্ষেতে পরিমিত সেচ দেয়া। গর্ত বা পিট প্রতি ৫০ থেকে ৮০ গ্রাম জিপসাম সার প্রয়োগ করা।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে। ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল বিকৃত হয়ে যায় এবং হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।ক্ষতির কারনঃ লাউয়ের মাছি পোকাব্যবস্থাপনাঃ ফেরোমনফাঁদ (১০ শতাংশে ৩টি হারে) /বিষটোপ ব্যবহার করুন। সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমনঃ ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
সমস্যাঃ গাছের যেকোন বয়সে এ রোগ দেখা যায়। আক্রান্ত গাছ ঝিমিয়ে ঢলে পড়ে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গাছের কচি পাতা প্রথমে ঢলে পড়ে কিংবা নীচের বয়স্ক পাতা বিবর্ণ হয়ে যয়। ব্যাকটেরিয়া জীবাণু আক্রমণ করলে গাছ হঠাৎ ঢলে পড়ে। আক্রান্ত গাছেল ডাল কেটে পানিতে রাখলে সাদা কষের মতো তরল পদার্থ বের হতে দেখা যায়। আবার ছত্রাক জীবাণু দিয়ে আক্রমণ হলে প্রথমে গাছের অংশ বিশেষ এবং পরে সমস্ত গাছ ঢলে পড়ে। আক্রান্ত গাছের কাণ্ডের ভেতরের অংশ বাদামী রঙের হয়ে যায়।ক্ষতির কারনঃ ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাক জনিত কারনে নেতিয়ে পড়া রোগব্যবস্থাপনাঃ ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ হলে ক্ষেতের মাটিতে বিঘাপ্রতি ২ কেজি হারে ব্লিচিং পাউডার ছিটাতে হবে। ছত্রাকের আক্রমন হলে, কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রানাশক (যেমনঃ কুপ্রাভিট ৪০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন।সতর্কতাঃ সকল বালাইনাশকই বিষ। তাই বালাইনাশক ব্যবহারের পূর্বে এবং সংরক্ষণের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করুন। বালাইনাশক ছিটানোর সময় ধূমপান বা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। কখনোই বাতাসের বিপরীতে স্প্রে করবেন না।বালাইনাশক শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। মেয়াদোত্তীর্ণ বালাইনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

Tagged

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *