খরগোশের পক্স বা মিক্সোমাটোসিস রোগের কারন,লক্ষণ,প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

কারণঃMyxoma virus এ রোগের মূল কারণ। এটি খরগোশের একটি প্রাণনাশক রোগ ৷ আঙ্গোরা, ফ্লেমিস রাবিট, জ্যাক রাবিট ইত্যাদি প্রজাতির খরগোশের এই রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তুলনামূলক ভাবে বেশী৷ এই ভাইরাস পক্স ভাইরাস শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত ৷ লক্ষণঃ রোগগ্রস্ত অবস্থায় খরগোশের প্রজনন ঘটালে মুখ, নাক, ঠোঁট, কান, চোখের পাতা ইত্যাদি অঙ্গে ইডেমা হয়৷ কান দেহ থেকে ঝুলে […]

Continue Reading

খরগোশের ম্যাস্টাইটিস রোগের কারণ,লক্ষণ ও প্রতিরোধ |Mastitis in Rabbit

কারণঃডার্মাটোপাইসিস ফাংগাস থেকে খরগোশদের চামড়ায় সংক্রামন হয় । লক্ষণঃ নার্সিং মায়েরা ম্যাষ্টাইটিস আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত বাট গরম, লাল হয়এবং ছুলে ব্যাথা লাগে। ঠিকমত এন্টিবায়োটিক দিলে এই রোগ সারে। কান এবং নাকের চারপাশে লোম উঠে যায় এবং চুলকোয়। চুলকানির জন্য খরগোশ ঐ জায়গাটা ক্রমাগত ঘষে, ফলে সেখানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। পরে ঐ স্হানে গৌন সংক্রমনের ফলে […]

Continue Reading

খরগোশের ক্যালিসিভাইরাস রোগ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ|Rabbit Haemorrhagic Disease Virus | Rabbit Calicivirus Disease

কারণঃRabbit Haemorrhagic Disease Virus এ রোগের মূল কারণ। বর্তমানে RHDV ভাইরাস (RHDV1, RHDVa, RHDV2 এবং RHDV1 K5) এর চারটি স্ট্রেন রয়েছে। মশা, মাছির মাধ্যমে এটি খরগোশে সংক্রমিত হয়। লক্ষণঃ প্রাপ্তবয়স্ক খরগোশগুলিতে সংক্রমণের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জ্বর এবং অস্থিরতা থেকে হঠাৎ মৃত্যুর দিকে দ্রুত এগিয়ে আসে। ক্যালিসিভেরাস এর ইনকুবেশন পিরিয়ড এক থেকে তিন দিন। […]

Continue Reading

খরগোশের প্রজনন বা ব্রিডিং ব্যবস্থাপনা

প্রজনন তথ্যঃ খরগোশ সাধারণত: ৫-৬ মাস বয়সে প্রথম প্রজনন-ক্ষম হয় । গর্ভবতী খরগোশ ২৮-৩৪ দিনের (জাতভেদে) মধ্যে বাচ্চা দেয় এবং বাচ্চার ওজন খরগোশের শারীরিক ওজনের উপর নির্ভরশীল এবং ইহা সাধারনতঃ দৈহিক ওজনের ২% হয়। খরগোসের দুগ্ধ-দান কাল সময় ৬-৮ সপ্তাহ এবং এই সময় ওজন হলো ৮০০-১২০০ গ্রাম। খরগোশ প্রতিবারে ২-৮ টি বাচ্চা প্রদান করে এবং […]

Continue Reading

খরগোশের খাদ্য ব্যবস্থাপনা | কি কি খাদ্য কত টুকু দিতে হবে? খরগোশের দানাদার খাদ্য তৈরু তালিকা

খাদ্য ব্যবস্থাপনা১. বয়স ও জাত ভেদে খরগোশের খাদ্য গ্রহণ ও পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হয়।২. একটি বয়স্ক খরগোশের খাদ্যে পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা; ক্রুড প্রোটিন ১৭-১৮% ,আঁশ ১৪%, খনিজ ৭%, বিপাকীয় শক্তি ২৭০০ কিলো ক্যালরি /কেজি।৩. খাদ্য গ্রহণঃ বয়স্ক খরগোসের জন্য (১৩০-১৪৫ গ্রাম/দিন, দুধালো খরগোসের জন্য ২৫০-৩০০ গ্রাম/দিন ও বাড়ন্ত খরগোশের জন্য ৯০ গ্রাম/দিন সরবরাহ করতে হবে।৪. খাদ্য […]

Continue Reading

খরগোশ পালনের দুইটি পদ্ধতির বিস্তারিত

দুইটি পদ্ধতিতে খরগোশ প্রতিপালন করা যায়ঃ ১) গভীর লিটার পদ্ধতিএই পদ্ধতিটি কম সংখ্যক খরগোশ পালনের জন্য উপযোগী। মেঝেতে মাটি খুঁড়ে গর্ত বানানো বন্ধ করার জন্য মেঝে কংক্রিটের হওয়া উচিত। মেঝের উপর ৪-৫ ইঞ্চি পুরু করে তুষ, ধানের খড় অথবা কাঠের ছিলকা ইত্যাদি ছড়িয়ে দিতে হবে। এই পদ্ধতিতে এক সাথে ৩০ টার বেশি খরগোশ প্রতিপালন করা […]

Continue Reading

খরগোশের মাংস খাওয়া হালাল নাকি হারাম? ইসলাম কি বলে? চলুন জেনে নিই

খরগোশের মাংস গ্রহণের ধর্মীয় ব্যাখ্যাঃখরগোশের মাংস মুসলমানদের জন্য হালাল। পবিত্র কুরআন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, খরগোশের মাংস খাওয়া মুসলমানদের জন্য যায়েজ। সুরা মা’য়েদাহ্তে আল্লাহ বলেছেন, তোমাদের জন্য হারাম (অবৈধ) করা হয়েছে মরা পশু, রক্ত ও শুকরের মাংস। আল্লাহ ভিন্ন অন্যের নামে উৎসর্গীকৃত পশু, গলাচেপে মারা জন্তু, প্রহারে মৃত জন্তু, পতনে মৃত জন্তু, শৃংগাঘাতে মৃত জন্তু […]

Continue Reading

প্রাণিসম্পদে এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছা ব্যবহার ও অসহায় পৃথিবী

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হোন খামারের প্রাণীতে এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছা ব্যবহার ও অপব্যবহারের কারনে আজ অধিকাংশ এন্টিবায়োটিক আর কাজ করছে না।জীবাণুগুলা হয়ে যাচ্ছে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হচ্ছে জীবাণুর বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়া। যা খুবই ক্ষতিকর। এই ক্ষেত্রে প্রাণীকে ঔষধ খাওয়ালেও ভালো ফল পাওয়া যায় না, কারন জীবাণুর বিপক্ষে এন্টিবায়োটিক আর কাজ করতে পারেনা। কারণে-অকারণে,বিনা […]

Continue Reading