ব্রয়লার/লেয়ার/সোনালি/কক মুরগি ভ্যাকসিন তালিকা একসাথে

লেয়ার মুরগির জন্য – টিকা/কৃমিনাশক প্রদান কর্মসূচি বয়স রোগের নাম ভ্যাকসিনের নাম টিকা প্রদানের পদ্ধতি ১ দিন মারেক্স রোগ মারেক্স ভ্যাকসিন ০.২ মিলি চামড়ার নীচে ইজেকশন ৫ দিন রানীক্ষেত রোগ বি, সি, আর, ডি, ভি এক চোখে ফোঁটা (প্যারেন্ট মুরগির টিকা প্রদান করা থাকলে ৭ থেকে ১০ দিন বয়সে) ৭ দিন ইনফেকসাস ব্রংকাইটিস আই, বি, […]

Continue Reading

মুরগির গাম্বোরো রোগের সরকারি ভ্যাকসিন গুলানোর নিয়ম,ডোজ,মাত্রা,প্রয়োগ পদ্ধতি ও দাম সহ বিস্তারিত

গামবোরো রোগ (Infectious Bursal Disease) মোরগ-মুরগির ভাইরাস জনিত একটি মারাত্মক রোগ। সাধারণত: ৩-৮ সপ্তাহ বয়সী মোরগ-মুরগি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এ রোগে মোরগ-মুরগির বার্সা আক্রান্ত হয় বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। আক্রান্ত মোরগ-মুরগির কুঁচকানো পালক, অবসন্নতা, ময়লাযুক্ত পায়ুস্থান, উচ্চ তাপমাত্রা, কাঁপুনি ও পানির মতো ডায়রিয়া এ রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য। মাষ্টার সীডঃ বি এ ইউ- […]

Continue Reading

মুরগির সালমোনেলা বা ফাউল টাইফয়েড রোগের সরকারি ভ্যাকসিন দেয়ার নিয়ম,ডোজ,মাত্রা ও দাম সহ বিস্তারিত

সালমোনেলোসিস/ফাউল টাইফয়েড গৃহ-পালিত মোরগ-মুরগির একটি ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। এ রোগ তীব্র ও দীর্ঘ মেয়াদী (Chronic) প্রকৃতির হয়ে থাকে। তীব্র প্রকৃতির রাগে মোরগ-মুরগির উচ্চ তাপমাত্রা ও হঠাৎ মৃত্যু হয়। দীর্ঘ মেয়াদী (Chronic) মোরগ-মুরগির খাদ্য গ্রহণে অনিহা, ঝুটি বিবর্ণ হওয়াসহ সবুজ বা হলুদ বর্ণের ডায়রিয়া দেখা দেয় যা মলদ্বারের আশপাশের পালকে লেগে থাকে। এ রোগে আক্রান্ত পাখির […]

Continue Reading

হাঁস-মুরগির কলেরার সরকারি ভ্যাকসিন দেয়ার নিয়ম,ডোজ,দেয়ার পদ্ধতি,সংরক্ষণ ও দাম সহ বিস্তারিত

হাঁস-মুরগির কলেরা গৃহপালিত ও বন্যপাখির একটি মারাত্মক সেপ্টিসেমিক রোগ। পাস্ত্তরেলা মাল্টোসিডা টাইপ-এ (Pasteurella multocida type-A) নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে। এটি মূলতঃ আক্রান্ত পাখি থেকে সুস্থ পাখিতে অথবা আক্রান্ত বা বাহক পাখির মল ও অন্যান্য নিঃসরণ দ্বারা পানি ও খাদ্য দূষণের মাধ্যমে অন্য সুস্থ পাখিতে ছড়ায়। উচ্চ আক্রান্তের হার ও অধিক মৃত্যুর […]

Continue Reading

মুরগির পক্সের সরকারি ভ্যাকসিন গুলানোর নিয়ম,মাত্র,ডোজ,সংরক্ষণ ও দাম সহ বিস্তারিত

ফাউল পক্স মোরগ-মুরগির ভাইরাসজনিত একটি রোগ। আক্রান্ত মোরগ-মুরগির ঝুটি, কানের লতি, পা, পায়ের আঙ্গুল এবং পায়ুর চার পার্শ্বে বসন্তের ফুসকুড়ি দেখা যায়। চোখের চারপাশে এই ক্ষত সৃষ্টির ফলে চোখ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই রোগে বাচ্চা মোরগ-মুরগির বয়স্ক মোরগ-মুরগির অপেক্ষা অধিক সংবেদনশীল। মাষ্টার সীডঃ বোডেট (Buddett) ষ্ট্রেইন। অরিজিনঃ মালয়েশিয়া। ব্যবহার বিধিঃ প্রথমে টিকার ভায়ালে ৩ […]

Continue Reading
দেশি মুরগি পালন বই pdf

বড় মুরগির সরকারি রাণীক্ষেতের ভ্যাকসিন গুলানোর নিয়ম,দেয়ার পরিমাণ,দেয়ার নিয়ম ও দাম সহ বিস্তারিত

মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত রোগ বা নিউক্যাসেল ডিজিজ (Newcastle Disease) একটি মারাত্মক ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগের জীবাণু আক্রান্ত মোরগ-মুরগির শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র ও সণায়ুতন্ত্র আক্রান্ত করে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ প্রকাশ করে। পরিপাকতন্ত্র আক্রান্ত্রের ফলে মোরগ-মুরগি সাদা চুনের ন্যায় অথবা সবুজ বর্ণের পাতলা মল ত্যাগ করে এবং স্নায়ুতন্ত্র আক্রমনের ফলে মোরগ-মুরগির ঘাড় বাঁকা হয়ে যায়। […]

Continue Reading

বাচ্চা মুরগির সরকারি রাণীক্ষেতের ভ্যাকসিন গুলানোর নিয়ম,দেয়ার পরিমাণ,দেয়ার নিয়ম ও দাম সহ বিস্তারিত

মোরগ-মুরগির সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে রাণীক্ষেত রোগ বা নিউক্যাসেল ডিজিজ (Newcastle Disease) একটি মারাত্মক ভাইরাস জনিত সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগের জীবাণু আক্রান্ত বাচ্চা মোরগ-মুরগির শ্বাসতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত করে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ প্রকাশ করে। পরিপাকতন্ত্র আক্রান্ত্রের ফলে মোরগ-মুরগি সাদা চুনের ন্যায় অথবা সবুজ বর্ণের পাতলা মল ত্যাগ করে। এ রোগের সুপ্তিকাল ৩ থেকে ৬ দিন। মাষ্টার […]

Continue Reading

মুরগির খামারে অতি জরুরি ৩৩ টি জীব নিরাপত্তা মেনে চলা উচিত

জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। ১. খামারের প্রধান গেট তালা দিয়ে রাখতে হবে। ‘জীব নিরাপত্তা চালু আছে, প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড লাগাতে হবে। ২. খামারের চার পাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ৩. খামারের শেডের পাশে খাদ্যদ্রব্য ফেলা যাবে না, এতে বন্যপাখি আসবে। বন্যপাখি বার্ড ফ্লুর ভাইরাস বহন করে। ৪. দর্শনার্থীদের এবং […]

Continue Reading

গরমে মুরগিকে হিট স্ট্রোক থেকে বাচাতে আজই শুরু করুন “ফিড রেস্ট্রিকশন”-ডাঃ শিবলী

মুরগীর খাদ্য বন্ধ রেখে পালনের নাম রেস্ট্রিকশান। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় খাদ্য বন্ধ রাখতে হয় এই পদ্ধতিতে। প্রথমে অল্প অল্প করে বাড়াতে বাড়াতে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় সম্পূর্ণ খাদ্য বন্ধ রাখতে হয়।১৪ দিন ১২ টা থেকে ১ টা১৫ দিন ১২ টা থেকে ২ টা১৬ দিন ১১ টা থেকে ২ টা১৭ দিন ১১ টা থেকে ৩ […]

Continue Reading

যেকোনো খামারের সেড পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করার উপায়

যেকোনো খামারে “অল ইন অল আউট” সিস্টেম অনুসরণ করতে হবে। “অল ইন অল আউট” মানে হচ্ছে খামারের একসাথে বাচ্চা তোলা এবং সেই বাচ্চা একসাথেই বিক্রি করে দেয়া। অর্থাৎ বিভিন্ন বয়সী বাচ্চা খামারে না রাখাই ভাল। খামারে একটা ব্যাচ পালন করে বিক্রি করার পরে কমপক্ষে ১৪ দিন গ্যাপ দিয়ে তারপরে নতুন বাচ্চা তুলতে হবে। এতে শুধু […]

Continue Reading